আমাদের কথা

www.krishi24.com কৃষি বিষয়ক সংবাদ, তথ্য ও মতামত প্রকাশের একটি সামাজিক সংবাদ সংযোগ। এর মূল তাৎপর্য হলো কৃষকের জীবন ও জীবিকার ক্ষেত্রে; কৃষিকে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়ত যে সমস্যা ও সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে তার তথ্য মাঠ পর্যায় থেকে নীতি নির্ধারনী পর্যায় পর্যন্ত সকল স্তরে পৌছে দেয়া। 

ওয়েবে কৃষি সংবাদ প্রবাহ সবার জন্য অবারিত করা প্রয়োজন বিভিন্ন কারণে। www.krishi24.com এই লক্ষ্যে নিম্নোক্ত ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী: 

  • প্রথমত, কৃষক পর্যায়ে প্রযুক্তি, বাজার, অবকাঠামো, বিনিয়োগ, আবহাওয়া ও সহায়তা প্রভৃতি সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য, কৃষককে কৃষি উৎপাদন, বিপণন, সংরক্ষণ ও বহুমুখীকরণসহ বিবিধ জরুরী প্রশ্নের উত্তর খুজতে সহায়তা করবে। 
  • দ্বিতীয়ত, কৃষক থেকে কৃষকে অভিজ্ঞতা, উপকরণ ও পণ্যের হস্তান্তরকে সহজ ও লাগসই করে তুলতে সহায়তা করবে। তৃতীয়ত, কৃষকের সাথে কৃষিবিদ, কৃষি নীতি নির্ধারক, কৃষি পণ্যের ভোক্তা, কৃষি পণ্যের ব্যবসায়ী ও কৃষি উপকরণের সরবরাহকারীদের বহুমুখী সংযোগ গড়ে তুলবে। 
  • তৃতিয়ত, খাসজমিসহ সকল কৃষিজ ও উৎপাদনশীল পাকৃতিক সম্পদে ভূমিহীন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার পর্যবেক্ষণ ও প্রসারণে জনমতের সচেতনতা গড়ে তোলা। 

সর্বোপরি; সাধারণভাবে জনমানসে কৃষি ও কৃষক বান্ধব নীতি, আইন, পরিষেবা ও অবকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সমর্থন ও ভাবনার উদ্রেক করতে ভূমিকা রাখবে। 

ইনসিডিন বাংলাদেশের উন্নয়ন দর্শন জাতীয় বিকাশের লক্ষ্যে কৃষি ও কৃষকের ক্ষেত্রেও দাবী করে কার্যকর অংশীদারিত্ব ও অংশগ্রহণ। এখনও কৃষি ক্ষেত্রের সাথেই দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর জীবন ও  জীবিকার প্রশ্ন জড়িত। এছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা ও খাদ্য সার্বভৌমত্বের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কৃষি ও কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নের সাথে ওতোপ্রতোভাবে জড়িত। কৃষি উন্নয়নের প্রশ্ন একারণে ইনসিডিন বাংলাদেশের কাছে প্রাথমিকভাবে অনুদিত হয়- কৃষক ও কৃষি সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন হিসাবে যা জাতীয় উন্নয়নের বৃহত্তর কর্মকৌশলের সাথে সমন্বিতভাবে অর্জিত হতে হবে। “কৃষক জনতার স্বার্থ” বিবেচনায় আনার ক্ষেত্রে ইনসিডিন বাংলাদেশ প্রাথমিকভাবে প্রাধান্য দিয়ে থাকে মূলত মাঝারি ও প্রান্তিক কৃষক পরিবারসমূহের স্বার্থকে। এক্ষেত্রে, অনুপস্থিত ভূমি মালিক বা কর্পোরেশনের স্বার্থের চেয়ে প্রাধান্য পায় ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ভূমিহীন কৃষক এবং নারী ও আদিবাসী কৃষকের স্বার্থ। প্রাধান্য পায়  মধ্যস্বত্ত্বভোগীর চেয়ে খোদ কৃষকের মুনাফার প্রশ্ন। এক্ষেত্রে কৃষি প্রশাসন, কৃষি নীতি ও কৃষি সংশ্লিষ্ট আইনের কৃষক-বান্ধক-সংস্কার প্রাথমিক কর্তব্য-কর্ম হিসাবে সামনে চলে আসে। 

এছাড়াও বাংলাদেশে ভূমিহীনতার মাত্রা ১২.৮৪ শতাংশ, যা ১৯৯৬ সালে ছিল ১০.১৮ শতাংশ, আর ১৯৮৩-৮৪ তে ছিল ৮.৬৭ শতাংশ (বি.বি.এস.)। বাংলাদেশে কম বেশি ৩৩ লৰ একর খাস জমি রয়েছে। ভূমিহীন জনগোষ্ঠীর মধ্যে নারীর সংখ্যা আশংকাজনকভাবে বেশী! ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি বিয়য়ক প্রতিষ্ঠান (এফ.এ.ও)’ এর হিসাব মতে বাংলাদেশে নারীর মালিকানাধীন কৃষি জমির পরিমান ছিল মাত্র ৩.৫ শতাংশ। প্রায় বিশ বছরে এই মালিকানা হ্রাস পেয়ে ২ শতাংশে নেমে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশের ভূমিহীন পরিবারগুলোর মধ্যে এই জমি, পরিবার-পিছু আধা একর বা ৫০ শতাংশ করে বিতরণ করা হলেও এই পরিবারগুলো দারিদ্র সীমার উপরে উঠে আসতে পারতো এবং টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতে পারতো। তবে খাস জমি অনেকাংশেই অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে প্রভাবশালী ভূমিদস্যূরা। এর পাশাপাশি বিবিধ সরকারি ও বেসরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে অকৃষি ও অনুৎপাদনশীল খাতেও খাস জমি বরাদ্দ করা হচ্ছে। এতে প্রান্তিক অবস্থানে থাকা ভূমিহীন জনগোষ্ঠী হচ্ছেন বঞ্চিত। অন্যদিকে খাস জমি বিতরণ নীতিতে অগ্রাধিকার তালিকায় নারীর অবস্থান বৈষম্যমূলক অবস্থানে। সেখানে বলা আছে, ‘সক্ষম পুত্র সন্তানসহ বিধবা নারী বা স্বামী পরিত্যক্তা পরিবার’ খাস জমি পাওয়ার অধিকারের কথা। অর্থাৎ নাবালক পুত্রসন্তান বা কন্যা সন্তানের মাতা হিসেবে কোন নারী এই তালিকায় স্থান করে নিতে পারবেন না। অথচ নারী উন্নয়ন নীতিতে বর্ণিত অতি দ্ররিদ্রদের দুই তৃতীয়াংশ নারীর অধিকাংশই বিধবা ও পরিত্যাক্তা অথবা তালাক প্রাপ্ত। রাষ্ট্রীয় সম্পদ বন্টনে এরকম বৈষম্যমূলক নীতি কার্যতঃ অতি দরিদ্র অধিকাংশ নারীর খাস জমি পাওয়ার অধিকারকে ব্যাহত করবে। আইপিসিসি’র প্রক্কলণ অনুযায়ি বাংলাদেশে গঙ্গা-ব্রক্ষ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকায় প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ‌অন্য গবেষণায় (স্টেন, ২০০৭; সারওয়ার ও খান) বলা হচ্ছে, আমাদের সমুদ্র উপকূলের ১৮ শতাংশ ভূমি তলিয়ে যেতে পারে। আর একটি গবেষণা (মাহমুদা খাতুন ২০১৩) অনুযায়ি এরই মধ্যে ১০ লক্ষ মানুষ তাদের আবাস হারিয়েছেন এবং তাদের ৭০ শতাংশ ভূমিহীন হয়ে পরেছেন। জলবায়ূ পরিবর্তন প্রসূত এই ভূমিহীনতা মোকাবেলায় প্রয়োজন খাস জমি ব্যবস্থাপনায় দূরদর্শীতা। পার্বত্য চট্টগ্রামে স্বাক্ষরিত ১৯৯৭ সালের শান্তি চুক্তির আওতায় পাহাড়ি জনপদে ভূ-সম্পদের মালিকানা হাতবদল হওয়া একটি রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকার। এর ফলে ব্যাপক আকারে না হলেও কিছু নাগরিককে অন্যত্র খাস জমিতে পুনঃপুনর্বাসন করতে হতে পারে। এক্ষেত্রেও পূর্ব প্রস্তুতী ও স্পষ্ট নীতিমালা অত্যাবশ্যক। অর্থাৎ, আমাদের উন্নয়ন প্রেক্ষিত, ভূমিহীনতার গতিধারা, জলবায়ূ পরিবর্তনজনিত অভিঘাত মোকাবেলা ও রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা প্রভৃতি প্রেক্ষিতকে বিবেচনায় নিলে - ভবিষ্যতে খাস ভূমি বন্টন প্রক্রিয়াকে বৈষম্যহীনভাবে ভূমিহীন ও প্রান্তিক মানুষের পক্ষে ঢেলে সাজানোর প্রয়োজন অনস্বীকার্য। এই সমস্ত পরিবর্তন প্রবর্তনের লক্ষ্যে ইনসিডিন বাংলাদেশ “কৃষি-সম্পদে গণ অধিকার সুরক্ষায় প্রচারণা” শীর্ষক একটি প্রকল্প পরিচালনা করে আসছে- যা ইংরেজীতে Advocacy for People’s Right in Agricultural Resources (APRAR) নামে পরিচিত। ইনসিডিন বাংলাদেশকে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে “মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন” সহায়তা প্রদান করে আসছে এবং www.krishi24.com ইনসিডিনের উপোরক্ত (আপরার) প্রকল্পের আওতায় বিকশিত ও পরিচালিত হচ্ছে।

কৃষিক্ষেত্রে প্রযুক্তির বিকাশ একটি চলমান প্রক্রিয়া। এক্ষেত্রে সরকার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সংস্থা যেমন ভূমিকা রাখছে, তেমনি মাঠ পর্যায়ে কৃষকরাও প্রতিনিয়ত নতুন আবিষ্কার ও প্রযুক্তির ব্যবহারকারী হিসাবে নতুন অভিজ্ঞতার সঞ্চয় করছেন। www.krishi24.com প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান এর পাশাপাশি কৃষকের জ্ঞান ভান্ডারকেও সবার জন্য উন্মুক্ত করছে। প্রযুক্তির সাথে আজ শুধু উৎপাদনশীলতা নয়, জড়িয়ে গেছে পরিবেশ সুরক্ষা ও কৃষক স্বার্থের প্রশ্ন। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি আরও বিবেচনায় আনতে হচ্ছে খাদ্য সার্বভৌমত্ব (অর্থাৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে কৃষকের  স্বাধীনতা সংরক্ষণ) ও নিরাপদ খাদ্যের (অর্থাৎ কৃষি উৎপাদন যেন জনস্বার্থের জন্য হুমকী হয়ে না দাঁড়ায় তা নিশ্চিত করার) প্রসঙ্গ। এ ক্ষেত্রে বীজের উপর কৃষকের অধিকার ও প্রাণ সম্পদের উপর জাতীয় অধিকার নিশ্চিতের প্রসঙ্গও যুক্ত হয়েছে। প্রযুক্তি শুধুমাত্র খামার পর্যায়ে নয়, কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রেও একইভাবে কৃষি ও কৃষক তথা সমগ্র জাতিকে আজকে প্রভাবিত করছে। এই বহুমাত্রিক বিশ্লেষন তুলে ধরার দায়িত্ব নিয়েছে www.krishi24.com । নীতি ও আইনকে কৃষক বান্ধব না করা গেলে, রাষ্ট্রীয় সহায়তা ও উন্নয়ন উদ্যোগে কৃষি ও কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নের সম্ভাবনা স্পষ্ট করা যাবে না। কৃষিবিদ ও কৃষক সংগঠকদের পাশাপাশি সংবাদকর্মী ও সমাজ সচেতন নাগরিকদের এই ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা ও মতামত তুলে ধরায় সহায়তা করছে  www.krishi24.com

জরুরী পরিস্থিতিতে কৃষক ও কৃষি রক্ষার্থে সরকার, উন্নয়ন সংস্থা, কৃষক সংগঠন ও বেসরকারী খাতের কি ভূমিকা পালন করা উচিত ও বর্তমানে কে কি করছে- সে বিষয়েও www.krishi24.com তথ্য প্রদান ও সংযোগ গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখছে। আবহাওয়া পরিবর্তন জনিত যে হুমকী আজ আমাদের কৃষি ও কৃষককে মোকাবেলা করতে হয়েছে, www.krishi24.com  সে বিষয়েও দীর্ঘ মেয়াদী কর্ম পরিকল্পনা ও কৌশল বিনির্মানে ভূমিকা রাখছে।  

কৃষিতে নারীর অবস্থান আজ এক নতুন মাত্রা পেয়েছে। কৃষি শ্রমিক ও পরিবারের অভ্যন্তরে কৃষি উৎপাদন প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ এখন দৃশ্যমান। এনজিও ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহণ করে পরিবারের পক্ষ থেকে কৃষিতে অদৃশ্য বিনিয়োগকারী হিসাবেও নারীর নতুন ভূমিকা আজ অনস্বীকার্য। অথচ, কৃষিতে চিরায়ত বীজ সংরক্ষণকারী হিসাবে ও কৃষি জমির মালিক হিসাবে নারীর ভূমিকা আজ প্রান্তিক। একারণে অশেষ অবদান স্বত্ত্বেও নীতি ও সামাজিক পরিসরে নারী-কৃষকের স্বীকৃতি মিলছে না। www.krishi24.com কৃষিতে নারীর অবদান ও স্বীকৃতি নিশ্চিতকল্পে গণ মতামত গঠন ও প্রতিফলনে অবদান রাখছে।  

আদিবাসী কৃষি আজ হুমকীর মুখে। তাদের ঐতিহ্যবাহী ভূমি মালিকানা ও চাষ পদ্ধতি আজ হারিয়ে যাচ্ছে। আদিবাসী কৃষক ও কৃষিকে পরিবর্তিত জাতীয় ও আন্তার্জাতিক পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নিতে,  বিকশিত করতে ও টিকে থাকতে www.krishi24.com কাজ করে চলেছে। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র আদিবাসীদের সমস্যা হিসাবে প্রসঙ্গটিকে না দেখে, সামগ্রিকভাবে জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখার দৃষ্টিকোণকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। 

বাজারের সাথে কৃষকের যোগাযোগ আজও মধ্যস্বত্বভোগীদের স্বার্থকে ঘিরেই আবর্তিত। খোদ কৃষকের জন্য বাজার প্রবেশাধিকার অবারিত করা, বাজারে কৃষি পণ্যের দাম নির্ধারণে কৃষক স্বার্থের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি ও সুবিধাজনক বাজারে কৃষকের প্রবেশ নিশ্চিত করার আশু লক্ষ্য নিয়ে www.krishi24.com বাজার তথ্য, সংবাদ ও বিশ্লেষণ তুলে ধরছে। দীর্ঘমেয়াদে www.krishi24.com আন্তর্জাতিক কৃষি বাণিজ্য ও কৃষি ভিত্তিক শিল্প উদ্যোগসমূহের বিকাশ ও ব্যবস্থাপণার ক্ষেত্রে কৃষকের স্বার্থ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী।  

সরকারের বিভিন্ন নীতি, আইন ও ঘোষণা (যেমন সরকারী ক্রয়, সার ও বীজ বন্টন, জমি জরিপ ও কৃষি ভর্তূকী প্রভৃতি) কৃষকদের ও কৃষক সংগঠনের কাছে পৌছে দেয়ার ক্ষেত্রেও www.krishi24.com অগ্রণী ভূমিকা রাখতে আগ্রহী। এর পাশাপাশি কৃষি ও কৃষকের জন্য প্রয়োজনীয় বিবিধ গবেষণা এবং সভা-সমাবেশের তথ্য তুলে ধরার মাধ্যমে আমরা কৃষক জনগোষ্ঠী, কৃষি সংশ্লিষ্ট বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান ও বিশেষজ্ঞদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিনিময়ের সুযোগ সম্প্রসারিত করতে সচেষ্ট। 

www.krishi24.com পরিচালিত হচ্ছে ইনসিডিন বাংলাদেশ এর ব্যবস্থাপণায়। ইনসিডিন বাংলাদেশ একটি জাতীয় নীতি গবেষণা, পর্যালোচনা ও চিন্তা নির্মাণ কেন্দ্র। আমরা অর্থনৈতিক অগ্রগতী ও সামাজিক উত্তরণের সমন্বিত রূপকেই চূড়ান্ত অর্থে টেকসই মানবিক উন্নয়ন হিসাবে বিবেচনা করি। ইনসিডিন বাংলাদেশ একারণে, জাতীয় স্বার্থ হিসাবে সামনে নিয়ে আসে গণমানুষের সাধারণ স্বার্থকে এবং কোন ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর স্বার্থকে প্রাধান্য না দিয়ে সার্বিক ও সমন্বিত অগ্রগতীকেই জাতীয় উন্নয়নের রূপকল্প হিসাবে দাড় করায়। এই লক্ষ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নীতি ও কর্মকৌশল নির্মানকে  ইনসিডিন বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনায় আনে। জাতীয় বিবিধ প্রসঙ্গের পাশাপাশি এ কারণে, বিশ্বায়নের নামে পরিচালিত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বৈষম্যমূলক বাজার নীতি ও আবহাওয়া পরিবর্তনজণিত অভিঘাত মোকাবেলার জাতীয় নীতি-কৌশল প্রবর্তন ও চর্চার ক্ষেত্রে ইনসিডিন বাংলাদেশ সহায়কের ভূমিকা পালন করছে। এই লক্ষ্যে - জ্ঞান ও দক্ষতা বিকাশে সর্বস্তরের নাগরিক ও নীতি নির্ধারকদের আমরা সম্পৃক্ত করেছি একটি চলমান আলোচনা, বিশ্লেষণ ও অংশগ্রহণমূলক  কর্মকৌশল নির্ধারনী প্রক্রিয়ায়। ইনসিডিন বাংলাদেশ বিশ্বাস করে যে, গণমানুষের অংশগ্রহণ ব্যতীত, গণমুখী উন্নয়ন সম্ভব নয়। গণ-অংশগ্রহণ প্রক্রিয়াকে যে কোন উন্নয়ন প্রক্রিয়ার পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ণ - অর্থাৎ সর্বস্তরেই হতে হবে কার্যকর ও সূনিশ্চিত। এছাড়া গণতান্ত্রিক ও ন্যায় সঙ্গত উন্নয়ন অসম্ভব। 

আপরার প্রকল্প উদ্দেশ্যঃ 

  • খাস জমি ও উৎপাদনশীল সম্পদে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের অভিগম্যতা নিশ্চিত করা 
  • খাস জমি আবেদন প্রক্রিয়া ও ব্যবহার সম্পর্কে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি
  • কৃষক বান্ধব কৃষি নীতি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা-র মাধ্যমে খাস জমি বন্টন ও সরকারী সহায়তা কাঠামোকে প্রভাবিত করা
  • খাস জমি প্রাপ্তি ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের দক্ষতা উন্নয়ন
Read 3521 times