বৃহস্পতিবার, 09 জুন 2016 12:57

উচ্চ ফলনশীল ধানের আরও ৫টি জাত উদ্ভাবন

সমকাল || দেশে আকস্মিক বন্যা, খরা, লবণাক্ততা ও ঠাণ্ডাপীড়িত এলাকায় ধান উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাঁচ বছরে ধানের ৫টি জাত উদ্ভাবন করেছে ইন্টিগ্রেটেড অ্যাগ্রিকালচারাল প্রোডাক্টিভিটি প্রজেক্ট-ব্রি কম্পোনেন্ট (আইএপিপি-ব্রি কম্পোনেন্ট)। এ ছাড়া উদ্ভাবন করা হয়েছে ৯টি ফসল ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি। শিগগিরই খরা, বন্যা ও ঠাণ্ডা সহনশীল আরও উন্নত ধানের জাত উদ্ভাবন করা হবে। গাজীপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) মিলনায়তনে সোমবার অনুষ্ঠিত আইএপিপির কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

কৃষি বিজ্ঞানীরা জানান, বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের আকস্মিক বন্যা, খরা ও ঠাণ্ডাপীড়িত রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী জেলায় এবং জোয়ার-ভাটা, লবণাক্ততাকবলিত বরিশাল অঞ্চলের ঝালকাঠি, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী জেলার ধান উৎপাদন বাড়ানোর উদ্দেশ্যে আইএপিপি-ব্রি কম্পোনেন্ট থেকে প্রকল্পের সহযোগিতায় গত পাঁচ বছরে ধানের ৫টি জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। উদ্ভাবিত জাতগুলো হলো_ ব্রি ধান ৬১, ব্রি ধান ৬২, ব্রি ধান ৬৫, ব্রি ধান ৬৬ এবং ব্রি ধান ৬৭। দ্য গ্গ্নোবাল অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড ফুড সিকিউরিটি প্রোগ্রাম (জিএএফএসপি) এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে বিশ্বব্যাংকের তত্ত্বাবধানে কৃষি মন্ত্রণালয় প্রকল্পটি পরিচালনা করছে বলে জানান কর্মশালার আয়োজকরা। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মহাপরিচালক ড. জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) চেয়ারম্যান মো. নাসিরুজ্জামান। বক্তব্য রাখেন আইএপিপির উপ-প্রকল্প পরিচালক মো. হেমায়েত হুসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইএপিপি-ব্রি কম্পোনেন্টের প্রকল্প ব্যবস্থাপক ড. মো. আবদুল কাদের।