সম্পাদকীয়

প্রয়োজন কৃষিখাতে আমূল পরিবর্তন

প্রয়োজন কৃষিখাতে আমূল পরিবর্তন

দৈনিক ইত্তেফাক || বীজ, সার, সেচভিত্তিক সবুজ বিপ্লব শুরু হয়েছিল বিগত শতাব্দীর ষাটের দশকের মধ্যভাগ থেকে ধান ও গমের উচ্চ উত্পাদনশীল বীজ উদ্ভাবনের মাধ্যমে। গম ও ধানের উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবনের মধ্য দিয়েই বর্ণিত সবুজ বিপ্লবের শুরু। উচ্চ ফলনশীল গম ও ধান বীজ উত্পাদন কৃষির ক্ষেত্রে ছিল ‘ইতিহাসের একটি টার্নিং পয়েন্ট’। সে ঢেউ ক্রমান্বয়ে জোরদার হয়েছে বাংলাদেশেও। স্বাধীনতার পর এক কোটি টনের কিছু উপরে খাদ্যশস্য উত্পাদনের পরিমাণ বেড়ে এখন প্রায় চার কোটি টনের মত উত্পাদন হচ্ছে। ক্রমাগত খাদ্য ঘাটতির দেশ এখন খাদ্য উদ্বৃত্ত দেশ এবং বাজার মূল্য বজায় রাখতে আমাদের রপ্তানি বাজার খুঁজতে হচ্ছে। ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে কৃষি উপখাতগুলোতে। মত্স্য, পোল্ট্রি উপখাতে ঘটেছে বাজারভিত্তিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম। আমাদের বন সম্প্রসারণের ব্যাপ্তিও ঘটছে দ্রুত। কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে না হলেও ফসল উত্পাদন উপখাতে বৈচিত্রায়নও হচ্ছে। ফল চাষ ব্যাপক বেড়েছে, শাক-সবজির উত্পাদন এখন আর কোনো মৌসুমে সীমাবদ্ধ নেই। শাক-সবজি সারা বছরই উত্পাদন হচ্ছে। কৃষি মালিকানা কাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে এবং এই কারণেই চার দশকের উপর...

কৃষি প্রযুক্তিও হইতে হইবে জনবান্ধব

দৈনিক ইত্তেফাক || দেশের ক্রমবর্ধমান বিপুল জনসংখ্যার আবাসনসহ নানা প্রয়োজন মিটাইতে প্রতি বছর এক শতাংশ হারে আবাদি জমি হ্রাস পাইতেছে। স্বল্প আয়তন ও বিপুল জনসংখ্যার দেশের জন্য ইহা এক উদ্বেগজনক সংবাদ। এই তথ্য জানা গিয়াছে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘কমপ্যাক্ট টাউনশিপ: সমন্বিত নগর ও গ্রামীণ উন্নয়ন পরিকল্পনা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে। আবাদি জমি কমিয়া যাওয়ার সমস্যা সমাধানে সেমিনারের মূল প্রবন্ধে কম্প্যাক্ট টাউনশিপ ধারণাটির প্রস্তাব করা হয়। কম্প্যাক্ট টাউনশিপ বলিতে আবাসন, হাসপাতাল, বিদ্যালয়, বাজার, গ্রামীণ কল-কারখানা ও স্থানীয় প্রশাসন সমৃদ্ধ একটি নাগরিক ইউনিটকে বোঝায় যেইখানে ২০ হাজার মানুষের জন্য মৌলিক সেবাসমূহ নিশ্চিত করা হইবে। কম্প্যাক্ট টাউনশিপ আবাদি জমি হ্রাসের উদ্বেগের পাশাপাশি নাগরিক আবাসনের দিকে বেশি গুরুত্ব দিয়া থাকে। ইহা গেল ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর উন্নত আবাসনের এক রূপরেখার কথা। কিন্তু সেই ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর মুখে খাদ্যও তো তুলিয়া দিতে হইবে। এইদিকে আবাদি জমির আয়তন যেই হারে কমিতেছে, তাহাতে সেই মৌলিক চাহিদাটি কীভাবে পূরণ হইবে? উপায় একটি আছে, তাহা হইল উত্পাদন বৃদ্ধি। বস্তুত সাম্প্রতিক...

কৃষি জমিতে ইটভাঁটি

দৈনিক জনকন্ঠ || দেশে বছরে মাটি পোড়ানো ইট কিনতে গুনতে হচ্ছে কম পক্ষে নয় হাজার কোটি টাকা। আর বিপুল পরিমাণ এই পণ্য তৈরিতে নষ্ট হচ্ছে কৃষি জমি। অথচ এসব জমি থেকে মাটি সংগ্রহের ক্ষেত্রে আইনী নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানছে না কেউ। এজন্য বলা হচ্ছে আইনের নানা দুর্বলতার কথা। আবার কারও পরামর্শ কৃষি জমি নষ্ট না করে, ইট আমদানির দিকে নজর বাড়ানোর। দেশে বছরে যে পনেরো শ’ কোটি ইট তৈরি হচ্ছে তার বেশিরভাগের জন্যেই মাটি আনতে হচ্ছে কৃষি জমি খাল কিংবা পাহাড় কেটে। যার পরিমাণ প্রায় এক শ’ ষাট কোটি ঘনফুট। অথচ ইটের চাহিদা আরও কম। তবে বছরে এক শতাংশ হারে নষ্ট হওয়া কৃষি জমির অর্ধেকই যাচ্ছে নতুন বাড়িঘর তৈরিতে। আর ষোল শতাংশ নষ্ট করছে ইটভাঁটিগুলো। অথচ আইনে মাটি সংগ্রহের ব্যাপারে কড়া নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানছে না ভাঁটি মালিকরা। দেশের নির্মাণ সামগ্রীর অন্যতম প্রধান উপাদান হলো মাটি পোড়ানো ইট। যা কিনতে বছরে খরচ হচ্ছে প্রায় নয় হাজার কোটি টাকা। দেশে বর্তমানে...

ভেসে গেছে কৃষি-নায়কদের স্বপ্ন

উত্তরের কথন রংপুরের মানুষের জন্য না আছে প্রাকৃতিক আনুকূল্য, না সরকারের বিশেষ চেষ্টা। তবে কি অভাবী রংপুরের অভাবের রেখা বন্যায় দীর্ঘ হতেই থাকবে? প্রথম আলো || উত্তরাঞ্চলে প্রায় প্রতিবছরই বন্যা হয়। বন্যায় সবুজ শস্য-ঘরবাড়ির সঙ্গে ডুবে যায় কৃষকের সোনালি স্বপ্ন। ব্রিজ-কালভার্টের মুখ বন্ধ করে পানির পথরোধ করায় সামান্য বৃষ্টিতেই বন্যা দেখা দেয়। একসময় অনেক নদী ছিল, যে নদীগুলো দিয়ে বৃষ্টির পানি দ্রুত নেমে যেত। এখন সেসব নদী কোথাও বিলে পরিণত হয়েছে, কোথাও বা নিশ্চিহ্ন। তা ছাড়া, যে নদীগুলো আছে, সেগুলো খনন না করার কারণে একটু পানিতেই দুই কূল ভেসে যায়। আর যদি হয় ঘন বর্ষণ এবং সেই সঙ্গে উজানি ঢল নামে, তাহলে বন্যার ভয়াবহতা চরম মাত্রায় পৌঁছায়। চলতি বছর উত্তরাঞ্চলে দুবার বন্যা হলো। যদি ব্রিজ-কালভার্টগুলো দখলদারদের থেকে মুক্ত থাকত এবং নদীগুলোর প্রতি সরকার যত্নবান হতো, তাহলে প্রথমবারের বন্যা হয়তো হতো না। এমনকি বর্তমানে যে বন্যা চলছে, সেই বন্যাও এতটা ভয়াবহ রূপও নিয়ে আসত না।গত মৌসুমে এখানকার কৃষক ধানের ন্যায্যমূল্য থেকে...

সারা দেশে গম আতঙ্ক

সারা দেশে গম আতঙ্ক

বণিক বার্তা ।। পচা ও নিম্নমানের গম নিয়ে সারা দেশে ভোক্তাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্রাজিল থেকে আমদানিকৃত নিম্নমানের গম হাতবদল হয়ে দেশের বিভিন্ন বাজারে চলে যাওয়ার পর এ আতঙ্ক দানা বাঁধছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ব্রাজিল থেকে আমদানিকৃত পচা গম পুলিশ, আনসারসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে সরবরাহ করা হয়। গমের মান নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গমের মান নিয়ে পুলিশের আপত্তির কথা তুলে ধরে খাদ্য মন্ত্রণালয়কে গত দুই মাসে একাধিকবার চিঠি দিয়েছে। নিম্নমানের এসব গম টেস্ট রিলিফ (টিআর), কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ও বিভিন্ন প্রকল্পে সরবরাহের পর হাতবদল হয়ে দেশের বিভিন্ন বাজারে ঢুকে পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব গম মিল মালিকদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। পরে তা আটা হয়ে বাজারে চলে আসছে।গতকাল পুলিশ সদর দফতরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বণিক বার্তাকে বলেন, খাদ্য অধিদফতর থেকে সরবরাহকৃত গম খাওয়ার উপযোগী নয়। দেশের যেসব জেলায় এ গম সরবরাহ করা হয়েছে, সেখান থেকে লিখিত প্রতিবেদনে মানের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।...

পাম চাষ কেন গলার কাঁটা হইবে

ইত্তেফাক ।। অর্ধযুগ ধরিয়া পাম গাছ চাষ করিয়া শাঁখের করাতের মধ্যে পড়িয়াছেন পামচাষিরা। গত সোমবার ইত্তেফাকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, যশোরের কেশবপুর উপজেলার শত শত যুবক পামচাষি পড়িয়াছেন মহা বিপাকে। গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে কৃষি বিভাগের পরামর্শে উৎসাহিত হইয়া বাণিজ্যিকভাবে পাম চাষাবাদ আরম্ভ করেন অনেকে। চারা রোপণান্তে সঠিক পরিচর্যার পর চার বৎসরের মধ্যেই ফল-সম্ভারে ভরিয়া উঠে পামগাছগুলি। আর বিপাক শুরু হয় তখন হইতেই। যে সকল এনজিও উদ্বুদ্ধ করিয়া যুবকদের পাম চাষে উৎসাহিত করিয়া জানাইয়াছিল, ফল তাহারাই ক্রয় করিবে, সেই এনজিওগুলি লাপাত্তা হইয়া গিয়াছে। শিল্প-উৎপাদন ও বিপণনে যে শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনা থাকা দরকার, তাহার ব্যত্যয় ঘটায় এসব উদ্যোগ কার্যত মাঠে মারা যাইতেছে। অবস্থাফেরে এই পাম গাছ এখন পরিণত হইয়াছে পামচাষিদের গলার কাঁটায়।কয়েক বৎসর পূর্বে একই চিত্র দেখা গিয়াছে খাগড়াছড়ি, ঝিকরগাছা, নরসিংদীর রায়পুরা, মেহেরপুর, ঠাকুরগাঁও-সমেত বিভিন্ন অঞ্চলে। এসব অঞ্চলেও পামচাষির মাথায় হাত পড়িয়াছে উপরিউক্ত কারণে। দুঃখজনকভাবে এই অভিযোগ প্রায় সর্বত্রই রহিয়াছে যে, পামচাষিদের এই বিপাকে সেখানকার কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর বিশেষ কোনো সহযোগিতা...

কৃষি সংবাদ | কৃষিটোয়েন্টিফোর - Items filtered by date: জুন 2016

সম্পাদকীয়

krishi24.com || গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর “খসড়া কৃষি ভূমি সুরক্ষা ও ভূমি ব্যবহার এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে আইন-২০১৫” সর্বসাধারনের মতামতের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব ওয়েব সাইটে তুলে ধরে। সরকারের এমন জনগুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়নের পদক্ষেপকে...

প্রকাশিত হয়েছেঃ বুলেটিন

আইন করতেই ৭ বছর পার

সমকাল || প্রতিদিনই কমছে কৃষি জমি। সংশ্লিষ্টরা মুখে এর সুরক্ষার কথা বলছেন; কিন্তু বাস্তব চিত্র ঠিক উল্টো। তাই কৃষি জমির অপরিকল্পিত ব্যবহার রোধে ২০০৯ সালে আইন তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার পর সাত বছর কেটে গেছে। কিন্তু সেটি চূড়ান্ত করতে পারছে না ভূমি মন্ত্রণালয়। কৃষি জমির সুরক্ষায় ও ভূমির...

প্রকাশিত হয়েছেঃ নীতি ও আইন

দৈনিক ইনকিলাব ||খসড়া কৃষি জমি সুরক্ষা ও ভ‚মি ব্যবহার আইন-২০১৫-তে সংযোজনের জন্য ১০ দফা প্রস্তাবনা দিয়েছে গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান ইনসিডিন বাংলাদেশ। ‘খসড়া কৃষি জমি সুরক্ষা ও ভূমি ব্যবহার আইন-২০১৫ : নাগরিক প্রস্তাবনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রস্তাবনা তুলে ধরে ইনসিডিন বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এ...

প্রকাশিত হয়েছেঃ নীতি ও আইন

Banglamail24,com || প্রস্তাবিত কৃষি ভূমি সুরক্ষা ও ভূমি ব্যবহার আইন-২০১৫ প্রণয়নে সরকারের পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে দশটি প্রস্তাবনা উত্থাপন করেছে গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান ইনসিডিন বাংলাদেশ। রোববার (১৯ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে ‘খসড়া কৃষি ভূমি সুরক্ষা ও ভূমি ব্যবহার আইন-২০১৫...

প্রকাশিত হয়েছেঃ নীতি ও আইন

শীর্ষখবর.কম || কৃষকরা কর অব্যাহতি পেয়ে এলেও দুই বছর পর থেকেই তাদের কাছ থেকে আয়কর আদায়ের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, কৃষকরা কর থেকে অব্যাহতি পেলেও তা আর বেশি দিন চলবে না। আগামী দুই বছর পর থেকেই তাদের কাছ থেকে কর নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার। শনিবার ২০১৬-১৭...

প্রকাশিত হয়েছেঃ অর্থনীতি

সমকাল || দেশে আকস্মিক বন্যা, খরা, লবণাক্ততা ও ঠাণ্ডাপীড়িত এলাকায় ধান উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাঁচ বছরে ধানের ৫টি জাত উদ্ভাবন করেছে ইন্টিগ্রেটেড অ্যাগ্রিকালচারাল প্রোডাক্টিভিটি প্রজেক্ট-ব্রি কম্পোনেন্ট (আইএপিপি-ব্রি কম্পোনেন্ট)। এ ছাড়া উদ্ভাবন করা হয়েছে ৯টি ফসল ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি। শিগগিরই খরা...

প্রকাশিত হয়েছেঃ প্রযুক্তি ও উপকরণ

দৈনিক ইত্তেফাক || বীজ, সার, সেচভিত্তিক সবুজ বিপ্লব শুরু হয়েছিল বিগত শতাব্দীর ষাটের দশকের মধ্যভাগ থেকে ধান ও গমের উচ্চ উত্পাদনশীল বীজ উদ্ভাবনের মাধ্যমে। গম ও ধানের উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবনের মধ্য দিয়েই বর্ণিত সবুজ বিপ্লবের শুরু। উচ্চ ফলনশীল গম ও ধান বীজ উত্পাদন কৃষির ক্ষেত্রে ছিল ‘ইতিহাসের একটি...

প্রকাশিত হয়েছেঃ সম্পাদকীয়

কৃষিবার্তা || আসন্ন ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি খাতে উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে বরাদ্দ বাড়িয়েছে অর্থমন্ত্রণালয়। সে লক্ষ্যে কৃষি খাতে ১৩ হাজার ৬৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত যা মোট বাজেটের ৪ দশমিক ০১ শতাংশ। গতকাল ০২/৬/১৬ তারিখ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আগামী...

প্রকাশিত হয়েছেঃ অর্থনীতি

প্রথম আলো || ভুয়া বীজ দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনার মামলায় চার বিদেশিসহ পাঁচ আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ শুক্রবার ঢাকার মহানগর হাকিম আবদুল্লাহ আল মাসুদ এই রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন। যে আসামিদের বিরুদ্ধে রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে, তাঁরা হলেন সৈয়দ তাসলিম সাদাত ওয়াসতি (২০)...

প্রকাশিত হয়েছেঃ নীতি ও আইন
বৃহস্পতিবার, 02 জুন 2016 16:21

কৃষকের জন্য চাই নগদ ভর্তুকি

দৈনিক ইত্তেফাক || একজন কৃষক বলেছেন, আকাশে বিদ্যুত্ চমকিয়ে কখন চলে যায় তাও বোঝা যায়। নিজের চোখে দেখা যায়। কিন্তু আমাদের বিজলী বাতি কখন আসে আর কখন চলে যায় তা বোঝা যায় না।  কিছুদিন আগে বাজেট নিয়ে আলোচনা করার সময় তিনি এ মন্তব্য করেছিলেন। তার এ কথাগুলো প্রচারিত হয়েছে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল থেকে।...

প্রকাশিত হয়েছেঃ নীতি ও আইন
Page 1 of 2