বৃহস্পতিবার, 29 ডিসেম্বর 2016 11:44

কৃষি সম্পদে গণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দূতিয়ালী (Advocacy for People’s Rights in Agricultural Resources)

সম্পাদকীয় 

সম্মানিত পাঠক, ইনসিডিন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন! ইনসিডিন বাংলাদেশ একটি গবেষণা ভিত্তিক সমাজ উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান। বিশ্ব বাণিজ্য উদারীকরণ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের জনস্বার্থ সুরক্ষায় এ প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৫ থেকে ২০১০ পর্যন্ত গণ কৃষি কমিশনের আওতায় ইনসিডিন বাংলাদেশ কৃষি গণশুনানীর আয়োজন করে যেখানে প্রায় ২৫০০০ কৃষকের মতামত সংগ্রহ করা হয়। এই গণ কৃষি কমিশনের সাথে মূল ধারার ও তৃণমূল পর্যায়ের ১৮টি কৃষক সংগঠন সম্পৃক্ত ছিল। এই গণশুনানি থেকে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের বাস্তব অবস্থা নিরীক্ষা করার সুযোগ হয়। এখান থেকে তাদের অনেক জরুরী দাবি উঠে আসে যার উপর ভিত্তি করে কৃষি ও কৃষকের- বিশেষত প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষকের স্বার্থ সুরক্ষায় ও টেকসই কৃষির স্বপক্ষে একটি নীতি প্রস্তাবনা দাড় করানো হয়। সর্বসম্মত এই নীতি প্রস্তাবনায় বিভিন্ন সংগঠনের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ স্বাক্ষর করেন; যেমন- মির্জা আব্দুল জলিল,সভাপতি, বাংলাদেশ কৃষক লীগ; ফজলে হোসেন বাদশা, এমপি, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও  জাতীয় কৃষক সমিতি, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সভাপতি, জাতীয়তাবাদী কৃষক দল।

জাতীয় কৃষি পর্যালোচনা কমিটি ও সংশ্লিষ্ট কৃষক সংগঠনসমূহের নেতৃত্বে পরিচালিত গণ কৃষি কমিশনের মাধ্যমে উঠে আসা এসব প্রস্তাবনাসমূহ ২০১০ সাল থেকে ইনসিডিন বাংলাদেশ বিরামহীণভাবে সরকারের সামনে তুলে ধরে আসছে। বলা যায়, এক্ষেত্রে কিছু অগ্রগতিও অর্জিত হয়েছে। ২০১৬ সালের শেষে এসে এই প্রস্তাবনার মূল কয়েকটি বিষয় তুলে ধরছি যদিও বিভিন্ন সময় নানাভাবে এসব কাজকে আপনাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। গণ কৃষি কমিশনের মতে- ভূমিহীনদের হাতে জমি হস্তান্তরই কেবলমাত্র সরকারের কাজ হবে না- হস্তান্তরিত খাস সম্পদ যেন কার্যকরভাবে কৃষিতে উৎপাদনশীল থাকে ও জমির মালিকানা বজায় থাকে তা নিশ্চিত করতেও সরকার বিবিধ পরিষেবা প্রদান করবে।

 

ডাউনলোড: