বুধবার, 16 অগাস্ট 2017 11:30

চরভদ্রাসনে ভাঙনে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি বিলীন

দৈনিক ইত্তেফাক || চরভদ্রাসন উপজেলায় অব্যাহত পদ্মার ভাঙনে নতুন করে আরো সাত বাড়ি বিলীন হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বড় বালিয়াডাঙ্গী গ্রামের শেষ মাথায় ভাঙনের তীব্রতা দেখা দেয়। এতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সাতটি বসতভিটে ১০ বিঘা ফসলি জমি একটি বিদ্যুতের খুঁটি ও বিভিন্ন প্রজাতির দুই শতাধিক গাছ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙন কবলিতরা হলো মাসুদ মোল্লা, সাইদুর মোল্লা, সামাদ মোল্লা, মাসুদ মোল্লা, রাজ্জাক মণ্ডল, আসরাফ মণ্ডল ও সোহেল মণ্ডল। এ নিয়ে গত তিন দিনে পদ্মা নদীর ভাঙনে বড় বালিয়াডাঙ্গীর দুই প্রান্তে ২৭টি বাড়ি, ২৫ বিঘা ফসলি জমি ও বিভিন্ন প্রজাতির চার শতাধিক গাছ বিলীন হয়ে গেছে।

আতঙ্কে রয়েছে নদী পাড়ের মানুষ ও চরম হুমকিতে রয়েছে ফাজেল খাঁর ডাঙ্গী ও মোল্লা ডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ভুক্তভোগীরা এলাকাবাসীর সহযোগিতায় বসতবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিলেও এদের অনেকেই পরিবার পরিজন ও গরু-ছাগল নিয়ে আশ-পাশের সরকারি রাস্তায় আশ্রয় নিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে। ভাঙন কবলিত এলাকা সদর বাজার হতে দেড় কি.মি দূরে হওয়ায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

জেলা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহামুদ বলেন, ‘আমি ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। ভাঙন রোধে এই মুহূর্তে আমাদের হাতে কোনো বাজেট বরাদ্দ নেই। তা ছাড়া ভাঙন এলাকার পেছনে বেড়িবাঁধ রয়েছে। আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রেখেছি’।

উপজেলার সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আজাদ খান বলেন, পদ্মা নদীর ভাঙনে শুধু কয়েকটি গ্রাম নয় চরম হুমকির মুখে রয়েছে এখানকার সরকারি বেসরকারি স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল ও উপজেলা পরিষদ। দ্রুত পদ্মা নদীর ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে বিলীন হয়ে যাবে চরভদ্রাসন উপজেলার অস্তিত্ব।