সোমবার, 11 জুলাই 2016 10:35

কৃষি গবেষণার আধুনিকায়নে আইনে নতুন ধারা

রাইজিংবিডি ডট কম || কৃষি গবেষণাকে আরো আধুনিক ও যুযোপযোগী করতে নতুন চারটি ধারা যুক্ত করে ‘বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন, ২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে আইনটির অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সচিব বলেন, ‘আইনটিতে আগে ১৮টি ধারা ছিল, এখন আরো চারটি ধারা বাড়ানো হয়েছে। চারটি ধারার মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় গবেষণা কার্যক্রম গ্রহণ, ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত নতুন জাতের প্রজনন বীজ উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করা, কৃষিতে আইসিটির প্রয়োগ করা এবং বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ শস্য পঞ্জিকা উদ্ভাবন, প্রণয়ন ও প্রকাশ করা। তিনি বলেন, ‘১৯৭৬ সালে অধ্যাদেশের মাধ্যমে এই আইন প্রণয়ন করা হয়। পরে ১৯৮৪ ও ১৯৯৬ সালে এটি সংশোধন করা হয়। মার্শাল ল অর্ডিন্যান্সের আইন হওয়ায় সরকারি সিদ্ধান্ত অনুসারে এটাকে বাংলায় হালনাগাদ করে পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত করতে মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসা হয়েছে।’

সচিব আরো বলেন, ‘কৃষি গবেষণাকে আরো আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে আইনটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। কৃষি গবেষণা ১৯৭৬ সালে যেখানে ছিল, এখন আর সেখানে নেই। পৃথিবী অনেক এগিয়ে গেছে। নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মেলাতে এর সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য আইনটা করা হয়েছে। চারটি নতুন ধারা যুক্ত হওয়া, বাংলায় হালনাগাদ করা ছাড়া এতে বড় কোনো পরিবর্তন নেই।’ শফিউল আলম জানান, ইনস্টিটিউটের অধীনে প্রয়োজনীয় দেশি ও বৈদেশিক প্রশিক্ষণ এবং উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা থাকবে। তাছাড়া বোর্ডের সদস্য বা পরিচালক যদি সরল বিশ্বাসে কোনো কাজ করেন, তার জন্য উনাদের বিরুদ্ধে কোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।