সোমবার, 25 জুলাই 2016 10:52

রাঙামাটিতে মাছ চাষ বাড়ছে

সমকাল || রাঙামাটির একমাত্র কাউখালীর মিনি মৎস্য হ্যাচারি প্রকল্পের মাধ্যমে দশ উপজেলায় কৃত্রিমভাবে উৎপাদিত মাছের রেণু ও পোনার চাহিদা মিটিয়ে অন্যান্য জেলায়ও সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে একদিকে পার্বত্য এলাকায় মাছ চাষের আগ্রহ বাড়ছে অন্যদিকে আমিষের চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে। রাঙামাটির দশ উপজেলায় মাছের রেণু ও পোনার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে ২০১২ সালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম মৎস্য চাষ উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের (তৃতীয় পর্যায়) মাধ্যমে কাউখালীতে মিনি মৎস্য হ্যাচারি প্রকল্পটি স্থাপন করা হয়। উপজেলা সদরের রাঙ্গিপাড়া এলাকায় অবস্থিত প্রায় সাত একর জমিতে এ হ্যাচারি খামারে রয়েছে ৭টি পুকুর। এর মধ্যে ৫টি নার্সারি পুকুর অন্য দুটি হচ্ছে মা মাছ উৎপাদনের পুকুর। এ খামারে রুই, কাতলা, মৃগেল, সরপুঁটি, গ্রাসকার্প, ব্রিগেডসহ মোট ৬ জাতের মাছের রেণু ও পোনা কৃত্রিমভাবে উৎপাদন করা হয়ে থাকে। পুকুর থেকে মা মাছ ধরার পর ৬ থেকে ৭ ঘণ্টার পর হরমোন ইনজেকশন দেওয়া হয়। এরপর প্রজাতিভেদে মা মাছগুলো ৬ থেকে ১০ ঘণ্টার মধ্যে ডিম দিয়ে থাকে। পরে ডিম সংগ্রহ করে হ্যাচিং জারের মধ্যে রাখা হয়। ২৪ ঘণ্টা পর ডিম থেকে রেণু বের করা হয়। রেণুগুলো হ্যাচিং জারে রেখে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে রেখে খাদ্য দেওয়া হয় এবং ৫ দিন পর রেণুগুলো চাষিদের কাছে বিক্রি করা হয়।