মঙ্গলবার, 16 অগাস্ট 2016 11:16

নগরকান্দায় জনপ্রিয় হচ্ছে ড্রাগন চাষ

দৈনিক ইত্তেফাক || পৃথিবীর নতুন ফল হিসেবে খুবই জনপ্রিয় উচ্চফলনশীল ও প্রচুর পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ড্রাগন ফলের চাষ হচ্ছে নগরকান্দা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। অনুকূল আবহাওয়া ও উত্পাদন খরচ কম হওয়ায় এ এলাকার কৃষকদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে ড্রাগন ফলের চাষ। ড্রাগন ফলের দাম ও চাহিদা ভালো থাকায় এ ফলের চাষ ছড়িয়ে পড়ছে এলাকার সর্বত্র। সম্প্রতি মালয়েশিয়া, চীন, শ্রীলংকাসহ এশিয়ার অন্যান্য দেশ এ ফল চাষে এগিয়ে যাচ্ছে। নাতিশীতোষ্ণ ও উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলের জলবায়ু এ ফল চাষের জন্য খুবই ভালো হওয়ায় নগরকান্দায় ড্রাগন ফল চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। উচ্চফলনশীল, প্রচুর পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ও বাজারে দাম বেশি থাকায় কৃষকরা এগিয়ে আসছে ড্রাগন ফল চাষে। এ এলাকায় উন্নত জাতের লাল ড্রাগন ফল (সাদা শাঁস) ও লাল ড্রাগন ফল (রঙিন শাঁস) বেশি চাষ হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ড্রাগন ফল চাষে কৃষকদের আগ্রহী করে তোলার লক্ষ্যে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষকদের বিনামূল্যে উপকরণ ও প্রাথমিক খরচ এবং পরামর্শ দিয়ে কৃষকদের সহায়তা করছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশুতোষ কুমার বিশ্বাসের সার্বিক সহায়তায় উপজেলার ১৫ জন কৃষক প্রত্যেকে দশ থেকে পঁচিশ শতাংশ জমিতে বর্তমানে ড্রাগন ফলের চাষ করছেন। এছাড়া বসতবাড়ির আঙ্গিনায় এবং ভবনের ছাদে অনেকেই ড্রাগন ফলের চাষ করছেন। 

উপজেলার ড্রাগন ফল চাষি বিমল চন্দ্র সরকার বলেন, নয় মাস আগে ২০ শতাংশ জমিতে ৭০টি চারা লাগিয়ে এ পর্যন্ত মোট খরচ হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। এখন ফল ধরতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৭০ হাজার টাকার ফল বিক্রি করেছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশুতোষ কুমার বিশ্বাস বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় উপজেলার কৃষকদের প্রশিক্ষণ, বিনামূল্যে উপকরণ এবং প্রাথমিক খরচ দেওয়ার পর ড্রাগন ফল চাষে উত্সাহিত করা হচ্ছে। আশা করছি, কয়েক বছরের মধ্যে ড্রাগন চাষে বাংলাদেশের মডেল হতে পারবো